হাওর বিলাস শুরু হয়েছিল একটা সহজ ইচ্ছে থেকে: হাওরকে যেভাবে ভালোবাসি, অতিথিদেরও সেভাবে দেখানো। ধীরে, যত্নে, আর সত্যি কথা বলে।
কেন হাওর
বাংলাদেশে এমন জায়গা কম, যেখানে দিগন্ত পর্যন্ত কেবল জল, আর তার উপর আকাশ। হাওরে সময় অন্যভাবে চলে; ইঞ্জিন বন্ধ করলে যে নীরবতা নামে, শহরে তা কল্পনাও করা যায় না।
আমরা চেয়েছি এই অভিজ্ঞতাটা ভিড়ের হইচই ছাড়া, একটু আরামে, একটু যত্নে পৌঁছে দিতে। তাই ছোট দল, নিজেদের মতো করে সাজানো নৌকা, আর স্থানীয় মানুষের হাতে হাল।
আমরা যা বিশ্বাস করি
তাড়া নয়
সূচিতে যতটা কম জিনিস রাখা যায়, ততই ভালো। হাওর দেখার জিনিস নয়, থাকার জিনিস।
হাওরের যত্ন
প্লাস্টিক ফেরত আসে, পাখিরা দূরে থাকে, জেলেদের পথ খোলা থাকে। অতিথিদেরও একই অনুরোধ করি।
সত্যি কথা
যা নেই, তা বলি না। উপলব্ধতা, শর্ত আর সীমাবদ্ধতা আগে জানাই, তারপর বুকিং।
একটি ভ্রমণ যেভাবে হয়
অনুরোধ থেকে ঘাটে ফেরা পর্যন্ত চারটি ধাপ।
অনুরোধ
তারিখ, অতিথি সংখ্যা আর পছন্দ জানিয়ে বুকিং অনুরোধ পাঠান। এতে কোনো খরচ বা বাধ্যবাধকতা নেই।
কথা বলা
আমরা উপলব্ধতা যাচাই করে যোগাযোগ করি; কেবিন, খাবার, সূচি আর শর্ত নিয়ে খোলাখুলি কথা হয়।
নিশ্চিত করা
সব ঠিক থাকলে আপনি সম্মতি দেন, বুকিং নিশ্চিত হয়, আর ঘাটে পৌঁছানোর বিস্তারিত পেয়ে যান।
হাওরে
ঘাটে স্বাগত, কেবিন বুঝে নেওয়া, তারপর জল যেদিকে নেয়। ফেরার দিন পর্যন্ত বাকিটা হাওরের হাতে।
নিরাপত্তা ও আবহাওয়া
হাওরে আবহাওয়া দ্রুত বদলায়। ঝড়ের পূর্বাভাস থাকলে বা জলপথ প্রতিকূল হলে আমরা সূচি বদলাই, প্রয়োজনে যাত্রা পিছিয়ে দিই। এমন সিদ্ধান্ত আগেভাগে জানানো হয় এবং বিকল্প নিয়ে কথা বলা হয়।
নৌকায় থাকাকালীন ক্রুর নির্দেশনা মেনে চলা, শিশুদের নজরে রাখা এবং রাতে ডেকের ধারে সতর্ক থাকা জরুরি।